নোংরা মেয়েদের কারনে মিডিয়া জগতের দু্র্নামঃসাফা কবির কে সানাই

আমি একদমই পরকালে বিশ্বাস করি না। সত্যিকার অর্থে আমি যেটা দেখিনা। সেটা কখনো বিশ্বাস করিনা।’ এমন মন্তব্য করার পর ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন অভিনেত্রী সাফা কবির।

গত পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে দেশের একটি বেসরকারি রেডিও অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে যান সাফা কবির। সেখানেই প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি বিতর্কিত মন্তব্যটি করেন। অনুষ্ঠানের এ অংশটুকুই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। একই সাথে নেটিজেনদের তোপের মুখে পড়েন এই অভিনেত্রী ও মডেল।

সাফা কবিরকে নিয়ে যখন তোলপাড় মিডিয়া পাড়াসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে, ঠিক তখনই নতুন করে আলোচনার জন্ম দিলেন সময়ের আলোচিত ও সমালোচিত মডেল সানাই।

গণমাধ্যমকে সানাই বলেন, ‘বাংলাদেশ মুসলিম দেশ। আর ওর মত (সাফা কবির)’র সাহস হয় কি করে এমন মন্তব্য করার? এমন বক্তব্যের পর আর তাকে নাস্তিক না বলে থাকা যাবে না। আমার ব্রেষ্ট বড় করা যদি অন্যায় হয়, তাহলে সাফা কবির কত বড় অন্যায় করেছে ভেবে দেখা উচিত। আমি বলবো যে এই ধরণের নোংরা মেয়েদের কারণে মিডিয়ার মেয়েদের দুর্নাম।’

পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে দেশের একটি বেসকারকারি রেডিও স্টেশনে এসে সাফা দাবি করেন তিনি পরকালে বিশ্বাস করেন না। যদিও তিনি মুসলমান ঘরের সন্তান। আর এ নিয়েই সমালোচনা হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

অনুষ্ঠানে সাফা কবিরকে এক ভক্ত মেসেজ করেন, আপনি পরকালে বিশ্বাস করেন? করলে তো চলাফেরা এমন হতো না। উত্তরে তিনি বলেন, ‘আমি একদমই পরকালে বিশ্বাস করি না। সত্যিকার অর্থে আমি যেটা দেখিনা। সেটা কখনো বিশ্বাস করিনা। ’

এরপর উপস্থাপিকা কথাটিকে অন্যদিকে মোড় দিতে গিয়ে বলেন। একচুয়েলি উনি (মেসেজ দাতা) বৈশাখে একটু বেশি খাওয়া দাওয়ার পর একটু ভাবে চলে গেছেন।

এই মন্তব্য ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়তে বেশি সময় লাগে না। সাফা নাস্তিক—এমন আখ্যা দিয়ে তুমুল সমালোচনা করছেন অনেকে। আবার অনেকে বলছেন, এটা তার একান্তই ধর্মীয় বিশ্বাস। এ নিয়ে সমালোচনার করার তেমন কিছু নেই। সাফা কোনো খারাপ কাজ করলে তার ফল তাকেই ভোগ করতে হবে। তবে ফেসবুকে বেশির ভাগ মন্তব্য বা সমালোচনাই ছিল গালাগালি, বাজে কথা, যেসব প্রকাশ অযোগ্য।

এরপর আজ মঙ্গলবার দুপুরে তিনি তাঁর ‘ভুল’ বুঝতে পেরে সকলের নিকট ক্ষমা চেয়েছেন একইসাথে তিনি অনুরাগীদের মনে আঘাত দেওয়ার জন্য দুঃখপ্রকাশ করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: